ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির
ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির

ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির ৬৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপতি হয়ছেে টাঙ্গাইলরে সন্তোষে। এ উপলক্ষে আজ সকাল ৯: ৩০ টায় দলটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মজলুম জননতো মওলানা ভাসানীর মাজারে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পন করা হয়। এরপর দলটির বর্তমান চেয়ারম্যান হাসরত খান ভাসানীর নেতৃত্বে স্বাস্থবিধি মেনে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে হাসরত খান ভাসানী ৬৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ঘনীভূত জাতীয় সংকটে অন্যান্য প্রগতিশীল রাজনৈতিক দল ও সাধারন জনগণকে সাথে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহবান জানান। তিনি বলেন, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে দেশ এক ঘণীভূত সংকটের মুখোমুখি। প্রায় দেড় বছর যাবৎ উত্তোরোত্তর করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং সরকারি দমন-পীড়ন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের নামে মানুষকে হয়রানি এবং গ্রেফতারের ঘটনা জনগণের জীবনে নাভিশ্বাস তুলে দিয়েছে। বর্তমান সরকারের জনগণকে তোয়াক্কা না করবার যে প্রবণতা তা কেবল এই সংকটকে ঘণীভুতই করছে। ইতিহাসে চাল-ডাল-তেল-চিনির সর্বোচ্চ দামই বুঝিয়ে দেয় সাধারণ মানুষের জীবন যাপনের অবস্থা। দীর্ঘদিন যাবৎ লকডাউনের ফলে দেশের নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের জীবন ও জীবিকা সংকটাপন্ন। অতি দারিদ্র ও বেকারের সংখ্যা দিন-দিন বেড়েই চলেছে। তাই অবিলম্বে এই অবস্থা প্রতিকারে ব্যবস্থা নেওয়া উচিৎ। জনগনকে তোয়াক্কা না করবার প্রবণতার কারণেই সরকারের সকল প্রতিষ্ঠানের রন্ধ্রে রন্ধ্রে দুর্নীতি প্রবেশ করেছে।

সরকার যদি নিজেদের জনগণের প্রতি নূন্যতম দায়বদ্ধ মনে করে তবে সরকারের উচিৎ সকল ক্রিয়াশীল রাজনৈতিক-সামাজিক সংগঠনকে সাথে নিয়ে গণতান্ত্রিক উপায়ে উক্ত সমস্যাগুলো সমাধান করা। ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির আহ্বানঃ

১) করোনাকালীন সময়ে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের খাদ্যের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
২) কৃষকের ফসলের ন্যায্য মূল্য এবং শ্রমিকের শ্রমের ন্যায্য মজুরি দিতে হবে।
৩) ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে সকল বন্দীকে মুক্তি দিতে হবে।
৪) প্রাণ-প্রকৃতি ধ্বংস করে উন্নয়ন প্রকল্প নেওয়া যাবে না।
৫) দুর্নীতি বন্ধে জাতীয়ভাবে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।
৬) রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান গুলোর গণতান্ত্রিক রূপান্তর নিশ্চিত করতে হবে।
৭) বেকারত্ব সমস্যা সমাধানে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, উদ্যোক্তাদের সহায়তা এবং চাকুরির ক্ষেত্রে বৈষম্য দূর করতে হবে।
৮) চাল-ডাল ও ভোজ্যতেল সহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য হ্রাস করতে হবে।
৯) সাম্প্রদায়িক সহিংসতা রোধে দৃশ্যমান ও কার্যকরী রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ থাকতে হবে।

সভা শেষে মওলানা ভাসানীর প্রতষ্ঠিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে বমিাতাসূলভ আচরণ ও বিভিন্ন সময়ে মওলানা ভাসানীর প্রতি কটুক্তি করায় মওলানা ভাসানী বজ্ঞিান ও প্রযুক্তি বশ্বিবদ্যিালয়ের ভাইস- চ্যান্সলের ড. আলাউদ্দিনের কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয়। হাসরত খান ভাসানী সাবধান বাণী উচ্চারন করে বলনে, ভবিষ্যতে কেউ মওলানা ভাসানীর সাথে বেয়াদবি করলে জনগণ তার সমুচতি জবাব দেবে।

লিখাটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Date/Time:

© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed By Invention-It