বিপ্লবী নবী -০৭

বিপ্লবী নবী -০৭

biplobi nibi allama azad subhani

মূল : আল্লামা আবদুল কাদির আজাদ সুবহানি
তর্জমা : মওলবি আশরাফ

শিষ্টতা

তিনি এত শিষ্ট ছিলেন যে, সারা জীবনেও কখনাে একটি কটু বাক্য তাঁর মুখ থেকে উচ্চারিত হয়নি কিংবা একটি অভদ্র আচরণও তাঁর কার্যকলাপে প্রকাশ পায়নি। অসামাজিক বা শিষ্টাচারবিরােধী একটি কার্যও তাঁর সমগ্র জীবনে পাওয়া যাবে না। তিনি যে কেবল সভা-সমাবেশ ও মানুষের সামনেই শিষ্টাচার করতেন তা নয়, বরং গৃহাভ্যন্তরে এবং একা অবস্থানকালেও তাঁর শিষ্টতা বজায় থাকত।

তবে এখানে প্রশ্ন উঠতে পারে যে, তিনি কোন ধরনের শিষ্টাচার-অনুসারী ছিলেন এবং সেই শিষ্টতার মাপকাঠিই-বা কী ছিল? বিষয়টি স্বতন্ত্রভাবে আলােচিত হওয়া উচিত। এই গ্রন্থেরই অন্যত্র এর বিশদ আলােচনা করা হবে। এখানে শুধু এইটুকু জেনে রাখলেই চলবে যে, হজরত মুহাম্মদ (স)এরশিষ্টতাটি ছিল রব্বানি শিষ্টতা। তিনি অত্যন্ত প্রসন্ন চিত্তের অধিকারী ছিলেন। তাঁর সাথে সাক্ষাৎ হয়েছে এমন কেউই বলতে পারবেন না যে, তিনি হজরতের মৃদু-হাস্য উদ্ভাসিত মুখের অভ্যর্থনা লাভ করেন নাই।তাঁর এই প্রসন্নতা কেবল বন্ধুদের ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ ছিল না, শত্রুদের সাথেও তিনি অনুরূপ প্রসন্নতাই প্রদর্শন করতেন। আত্মীয়-অনাত্মীয়, পরিচিত-অপরিচিত, ধনী-নির্ধন, বিত্তবান ও দুঃস্থ-কাঙাল— সর্বশ্রেণির লােকের জন্যই তাঁর প্রসন্নচিত্তের দুয়ার সদাসর্বদা উন্মুক্ত থাকত এবং সকলকে এর মাঝে আশ্রয়দানের জন্য আগ্রহে প্রতীক্ষা করত। এইখানে এসে সকলেই সত্যিকারভাবে উপলব্ধি করত যে, এই একমাত্র আশ্রয়স্থল যেখানে কেবল মনুষত্বই মর্যাদা পেয়ে থাকে এবং যেকোনো সৃষ্টজীবই আশ্রয় পেরে পারে।এখানে সকল ভেদাভেদ বিলুপ্ত, সকল শ্রেণি-বৈশিষ্ট্যও অনুপস্থিত—এখানে হীন চাকরও মর্যাদাবান এবং নিঃস্ব দীনমজুরও সম্মানিত। এখানে রাজা হিসাবে কেউ অধিক সম্মান পাবে না, বা সুন্দর চেহারাবিশিষ্ট হওয়ার জন্য কেউ উত্তম ব্যবহার লাভ করবে না । এখানে ছোটোর প্রতি বড়োর তাচ্ছিল্যভাব প্রদর্শনের সুযােগ নাই—ছোটোও নিজেকে বড়োর চেয়ে হেয় জ্ঞান করবে না। মোদ্দা কথা, এইস্থানে সকলেই এক সমান—সকলেই এক ভ্রাতৃত্ববন্ধনে আবদ্ধ। সৃষ্টির দিক থেকে এই ভ্রাতৃত্ব মানবতার ভ্রাতৃত্ব।
কর্তব্যনিষ্ঠা 

আল্লার রসুল পরম কর্তব্যনিষ্ঠ, পরম সুশৃংখল, অতি স্থির-লক্ষ্য এবং অত্যন্ত বাহুল্যবর্জিত ছিলেন। তিনি এমন কর্তব্যনিষ্ঠ ছিলেন যে, কঠিন থেকে কঠিনতর বিপদ এবং অতি আনন্দের সময়েও স্বজ্ঞানে ‘অবশ্যকর্তব্য’ থেকে দূরের কথা ‘সাধারণ কর্তব্য’ থেকেও বিচ্যুত হন নাই। তিনি এমন সুশৃঙ্খল ছিলেন যে, ছোট-বড়, পার্থিব-অপার্থিব, স্থায়ী-অস্থায়ী, ব্যক্তিগত বা সামাজিক এবং অবশ্যকরণীয় বা ইচ্ছাসাপেক্ষ— যেকোনাে কাজেই হাত দিয়েছেন,তা সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করেছেন এবং এমন সুশৃঙ্খলভাবে কাজে হাত দিয়েছেন যে ব্যর্থতার সম্ভাবনাও তার সীমারেখায় পৌঁছতে পারে নাই। তাই দেখা যায় তিনি যে-কাজেই হাত দিয়েছেন তা-ই সাফল্যমণ্ডিত হয়েছে— মৃত্তিকায় স্পর্শ করলে তা স্বর্ণে পরিণত হয়েছে! এই প্রসঙ্গে তাঁর জীবনের প্রথম যুদ্ধ, যা বদরের যুদ্ধ নামে প্রসিদ্ধি লাভ করেছে,তার কথাই উল্লেখ করা যায়। তিনি প্রথম যুদ্ধটিই এমন সুশৃঙ্খলভাবে শুরু করলেন যে, শত্রুপক্ষের সংখ্যাধিক্য সংখ্যালঘুত্বে রূপান্তরিত হলো এবংঅধিকতর শক্তিশালী হওয়া সত্ত্বেও শত্রুপক্ষকে পরাজয় বরণ করতে হলো।
তিনি স্বয়ং যোদ্ধাদের এমনভাবে সারিবদ্ধ করান যেন সীসা গলিয়া প্রাচীর দাঁড় করানো হয়েছে। তিনি নিজেও অস্ত্রশস্ত্রে সুসজ্জিত, এমনকি, তিনি সৈনিকবেশও পরিধান করেছেন। একজন নবীর জন্যে এটা সুশোভন হোক বা না হোক—একজন সেনাপতি এবং ফিল্ড মার্শালের জন্য সুশোভন তো বটেই, অপরিহার্যও।

এই যুদ্ধে তাঁর নিখুঁত, নিপুণ ব্যবস্থাপনার প্রতি আরাে দৃষ্টিনিবদ্ধ করলে দেখতে পাবেন যে, জাগতিক ও বাহ্যিক ব্যবস্থা অবলম্বন করার পরও তিনি মুনাজাতের সুযোগটি বৃথা যেতে দেন নাই। কিন্তু তাঁর ব্যবস্থাপনা-পদ্ধতিতে জড়-জগত সংশ্লিষ্ট বিষয়ে জাগতিক প্রচেষ্টার তুলনায় মুনাজাতের ওজন ছিল এক আনা পরিমাণ, অর্থাৎ পনের আনাই জাগতিক প্রচেষ্টা—বাকি এক আনা মুনাজাত। অথচ এই ঘটনার দিবস থেকে আজ পর্যন্ত অপূর্ণবুদ্ধির ব্যক্তিরা একটি মস্ত বড় ধোঁকায় নিপতিত রয়েছেন যে, তারা মনে করেন তাঁর ব্যবস্থাপনায় মুনাজাতই ছিল মূল— বাকি এক আনা ছিল জাগতিক প্রচেষ্টা।তাদের মতে, জাগতিক প্রচেষ্টা সংশ্লিষ্ট বিষয় মাত্র, অথচ ব্যাপারটি ছিল সম্পূর্ণ তার বিপরীত। পূর্ণবুদ্ধি ব্যক্তির নিকট ব্যাপারটি দিবালােকের মতোই সুস্পষ্ট ;কারণ, ঘটনাটি এই ছিল যে, যুদ্ধের যাবতীয় অস্ত্রশস্ত্র ও সাজসরঞ্জামই জোগাড় করা হয়েছিল এবং তা সুবিন্যস্তভাবে সম্মুখে রাখা হয়েছিল। অতঃপর মুনাজাতের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। সুতরাং, মুনাজাত মূল ছিল না— তার মর্যাদা ছিল পরিশিষ্টের। বড়জোর আমরা এইটুকু বলতে পারি যে, মুনাজাতের মাধ্যমে উক্ত ব্যবস্থাপনার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘােষণা করা হয়েছিল। 

স্থির-লক্ষ্য

তিনি এত স্থির-লক্ষ্য ছিলেন যে, যতরকম হট্টগোল, গণ্ডগোল ও প্রতিকূল অবস্থায়ই নিপতিত হোন না কেন, যত আনন্দপূর্ণ ও চিত্তাকর্ষক পরিবেশেই তিনি থাকুন না কেন, তিনি তার লক্ষ্যে স্থির রয়েছেন। বিবাহানুষ্ঠান, ভোজসভা, অভ্যর্থনানুষ্ঠান, গান-বাজনা কিংবা অন্য প্রকারের ধূমধামের মধ্যেও তাঁর উদ্দেশ্য ঠিক রয়েছে এবং তিনি তাঁর শিক্ষাদান কার্য অব্যাহত রেখেছেন। যুদ্ধক্ষেত্রে মারামারি কাটাকাটি চলছে, তিনি আহত হয়ে পড়েছেন, হয়তো-বা ক্ষুধায় কাতর বা নিঃসম্বল অবস্থায় পতিত হয়েছেন— কিন্তু লক্ষ্য তাঁর স্থির আছে এবং শিক্ষাদান ও প্রচারকার্য সমান গতিতেই এগিয়ে চলছে। ওহুদের যুদ্ধে পরাজয় প্রতীয়মান হয়েছে , তিনি গর্তে আহতাবস্থায় অবস্থায় পড়ে আছেন। কিন্ত যেইমাত্র শত্রপক্ষের সৈন্যগণ লাত-হুবল মূর্তি নামে জয় ধ্বনি দিয়ে উঠেছে তখনই তাঁর পরম লক্ষ্যের কথা মনে পড়ে গেছে। সুতরাং তিনি অতিদ্রুত অস্ত্র-সজ্জিত সকল সহচরকে একত্র করে আল্লাহ তাআলার নামের ধ্বনি দিতে শুরু করেছেন । তায়েফে ধর্মপ্রচার-অভিযানে বের হয়ে  ব্যর্থতার বোঝা নিয়ে আহতাবস্থায় প্রত্যাবর্তনকালে ক্ষুধার্ত ও ক্লান্ত দেহ নিয়ে তিনি একটি বাগানে এসে উপস্থিত হন। এমন সময় বাগানরক্ষক এসে তাঁর এই অবস্থা দর্শনে অনুগ্রহপূর্বক ফল ফল খেতে বললেন। কিন্তু এমন অবস্থাতেও তাঁর লক্ষ্য জেগে উঠে, তিনি ফলের জন্য হাত বাড়াবার আগে বাগানরক্ষককে ধর্মের দাওয়াত দিলেন। অবশেষে তাঁকে জয় করে, অর্থাৎ ইসলাম কবুল করিয়ে ফল ভক্ষণ করেছেন। 
বিজয়ীর বেশে তিনি মক্কা প্রবেশ করছেন। আনন্দ ও খুশির মৌজ উঠেছে। কিন্তু তিনি তাঁর লক্ষ্যে স্থির ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে সচেতন রয়েছেন। তাই আমরা দেখতে পাই যে, তিনি উটের পিঠে অবনত মস্তকেই তসবিহ-তাহলিল পাঠ করিতে করিতে মক্কা প্রবেশ করছেন। এটা এইজন্য যে, উম্মতগণ ও জগৎবাসী প্রত্যক্ষ করুক এবং এই শিক্ষাই লাভ করুক যে, বান্দা যত মহানন্দেই থাকুক না কেন, তাহাকে কখনো তাঁর স্রষ্টার কথা ভুললে চলবে না এবং তাঁর ইবাদত-বন্দেগি থেকে বিরত থাকা চলবে না।

তিনি অনর্থক বাহুল্য কথা বলতেন না; ফলে, জীবনভর যা কিছু তিনি বলেছেন তার প্রতিটি কথাই মূল্যবান, প্রতিটি বাক্যই সারসংক্ষেপ। রীতি, নীতি, বিধান ও জীবনপদ্ধতি ব্যাখ্যার মধ্যেই তাঁর কথাসীমাবদ্ধ। সেই জন্যই তাঁর প্রতিটি কথা, ‘প্রতিটি বাক্যকে এমন অমূল্য ধন হিসাবে হেফাজত করা হয়েছে। তাঁর কোনাে একটি বাক্যকেও অনাবশ্যক বলে গণ্য করার অবকাশ পর্যন্ত ছিল না। এ কারণে, তাঁর কোনাে একটি কথা ও বাক্যকেও বিস্মৃতির অতলে ডুবিয়ে দেওয়াও সম্ভব হয়নি। 

হজরত খুবই লজ্জাশীল, অতিশয় ধর্মনিষ্ঠ এবং পরম পুণ্যবান ছিলেন। একমাত্র সন্ত্রান্ত বংশীয় যৌবনবতী কুমারীর লজ্জার সাথেই তাঁর লজ্জারতুলনা করা যেতে পারে।

ধর্মনিষ্ঠা

তাঁর ধর্মনিষ্ঠতার কয়েকটি দৃষ্টান্ত দেওয়া যাচ্ছে। একদিন তিনি বায়তুল মালের (রাষ্ট্রীয় অর্থভাণ্ডার) কিছু স্বর্ণ ও রৌপ্যমুদ্রা বণ্টন করছিলেন। সববন্টনের পর তাঁর নিকট কোনাে ক্রমে কয়েকটি মুদ্রা রয়ে গেছিল। এই অবস্থায়ই তিনি গৃহে প্রবেশ করছিলেন। কিন্তু যেই মাত্র তা মনে পড়েছে, অমনি বিদ্যুৎ বেগে বের হয়ে সেই মুদ্রাগুলি বায়তুল মালেগচ্ছিত রেখে তারপর গৃহে প্রবেশ করেন। এর অর্থ এই ছিল যে, অপরের হক এক ঘণ্টা বা দুই ঘণ্টার জন্যও নিজের কাছে রাখা তিনি সমীচীন মনে করেন নাই।
একবার তিনি সফর থেকে ফিরে ছোট মেয়ে হজরত ফাতেমার গৃহে সর্বপ্রথম উপস্থিত হলেন। কিন্তুযখন তিনি দেখতে পেলেন তাঁদের গৃহ-দরজায় নকশা আঁকা পর্দা ঝুলছে এবং নাতিদের একজনের বাহুতে সােনার বালা শোভা পাচ্ছে, তখনই তিনি ফিরে গেলেন, যেন এই অবস্থায় কন্যার গৃহটি আর দর্শনের যােগ্যও নাই! অবশ্য, পরে যখন তিনি শুনতে পেলেন যে সেই নকশা আঁকা পর্দাটি ছিঁড়ে খণ্ড খণ্ড করে ফেলা হয়েছে এবং নাতির বাহু থেকে সেই সােনার বালা খুলে ফেলা হয়েছে, তখন তিনি ঠিক আগের মতোই উদ্বেলিত চিত্তে ও স্নেহার্দ্র হৃদয়ে কন্যা গৃহে প্রবেশ করলেন ।

মহিলাদের নিকট হতে ‘বায়আত’ গ্রহণকালে তিনি কখনাে তাদের হাত স্পর্শ করতেন না
(১); বরং কাপড়ের সাহায্যে বায়আত গ্রহণ করতেন। অথচ, এ জগতে তাঁর মনের চেয়ে আর কার মনেরই-বা বেশি তুষ্ট, তৃপ্ত ও সংযত হওয়া সম্ভব ?

তিনি এত পুণ্যবান ছিলেন যে, তাঁর নিকৃষ্টতম শত্রুকে সাহায্য করে পূণ্য হাসিল করতে হলেও তিনি আগ্রহ ও উৎসাহের সাথেই তা করেছেন। মুনাফিকপ্রধান আবদুল্লাহ বিন উবাই ছিল তাঁর নিকৃষ্টতম শত্রু। সে মারা গেলে তিনি নিজের পোশাক পাঠিয়ে দিলেন,সাথে বলে দিলেন এই পোশাকটিকে যেন তার কাফনের অংশ বানানো হয়, যাতে তার কবরের শাস্তি লঘু হয়।

একবার কোনাে যুদ্ধে মুসলিম সৈন্যগণ শত্রদের খাদ্যদ্রব্য অবরোধ করে ফেলেছিল। কাফিররা নিরুপায় হয়ে চিৎকার করে বলতে লাগল :‘আমাদেরকে কি না খেতে দিয়ে মেরে ফেলতে চাও?’ এই কথা শোনার সাথেসাথে তিনি অবরােধ তুলে নেন। এর তাৎপর্য তাে এই যে, ‘ভাইসব, তােমাদেরকে অনাহারে মরতে দিতে পারব না। যদিও তােমরা আমাদের মারার ফিকিরে রয়েছ।’

রাগ 

রাগও তাঁর মধ্যে বিদ্যমান ছিল। কিন্তু অহেতুক কখনো তাঁর ক্রোধের উদ্রেক হয় নাই। কখনাে ক্রোধের উদ্রেক হলেও তা সঙ্গত কারণেই হয়েছে। ঘটনাক্রমে কখনো তাঁর ক্রোধের উদ্রেক হলেও তা মানসিক ভারসাম্যে বিপর্যয় ঘটি তাঁকে অপ্রকৃতিস্থ করে তুলতে সক্ষম হয় নাই। রাগের বশীভূত হয়ে তিনি কখনো উত্তেজিত হয়ে উঠেন নাই বা কখনাে মাথা ঝাঁকিয়ে কথা বলেন নাই ; কিংবা রাগের দরুন শরীরের রগ ফুলে ওঠা বা হাত-পা কাঁপা— এই ধরনের কিছুই কখনো তাঁর হয়নি। যত ক্রোধই তাঁর মনে জমা থাকুক না কেন, মুখে কখনো তা অসংযতভাবে প্রকাশ পায়নি। রাগের সময় কেবলতাঁর চেহারা রক্তিম হয়ে উঠত এবং গলার স্বরটি একটু ভারী বােধ হতো। যদি কখনো-বা তাঁর মুখ থেকে কঠিন-কর্কশ বাক্য উচ্চারিত হয়েছে তা কেবল ধর্মের বিরোধিতায় যারা সীমাতিক্রমী ছিল তাদের উদ্দেশ্যে হয়েছে।

টীকা :
(১) হজরত উম্ম আতিয়া আল আনসারিয়া (রা) বর্ণিত হাদিসে নবী (স) হাত স্পর্শ করে বায়আত করেছেন এমন প্রমাণ পাওয়া যায়। মূলত মুসাহাফায় কামনামুক্ত হাত স্পর্শ করা ইসলামে নিষিদ্ধ নয়, মিশরের প্রখ্যাত আলেম ইউসুফ আল কারদাবি ও অন্যান্য অনুসন্ধানী আলেমরা এমতই বলে থাকেন।

লিখাটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Date/Time:

© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed By Invention-It